সম্মিলিত আঞ্চলিক জোট, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এর পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত ভিসি মহোদয় অধ্যাপক ড.এ এফ এম আব্দুল মঈন স্যারকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন!
অক্টোবর ১১, ২০২১
সম্পাদক
কমিটি
সমন্বয়কঃ
মোঃ শাহ্ করিম সাজিদ
সাধারণ সম্পাদক -নোয়াখালী ছাত্রকল্যাণ পরিষদ, কুবি
মো: ওসমান ফারুক
সভাপতি - কক্সবাজার স্টুডেন্ট'স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন, কুবি
ফয়সাল আহমেদ
সভাপতি - পদ্মা ছাত্র কল্যাণ সংঘ
তানভীর আহমেদ রাসেল
সাধারণ সম্পাদক - কুবি স্টুডেন্ট'স ইউনিয়ন অব নাঙ্গলকোট(কুসান)
এম. সাকিব হোসেন
সাধারণ সম্পাদক - কিশোরগঞ্জ জেলা স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন - কুবি
মোঃ রুহুল আমিন হৃদয়
সাধারণ সম্পাদক - পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদ
সূত্রঃ
জুলাই ২৯, ২০২১
সম্পাদক
সংবাদ
সবার প্রিয় তানিন মেহেদী আর নেই
আজ সকাল ১০.৩০ টায় আই সি ইউ তে থাকা অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।(ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন) আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন। আমিন আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুক।আল্লাহ ওনার পরিবার পরিজন সবাইকে ধৈর্য দান করার তৌফিক দান করুন। আমিন
জুলাই ০৯, ২০২১
সম্পাদক
আর্টিকেল
জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটিকে হারিয়েছি করোনার ভয়াল থাবায়। যখন বাবার মৃতদেহ নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম তখনও পরিবারের বাকি সদস্যরা করোনা পজেটিভ। আম্মার অক্সিজেন লেভেল নেমে যাচ্ছিলো বার বার। রাত একটা বাজে তখন, বাবার মৃতদেহের গাড়ি সমনে পাঠিয়ে দিয়ে আম্মার জন্য অক্সিজেন সিলিন্ডারের ম্যানেজ করতে গিয়েছিলাম। করোনার ভয়াবহতা বাস্তবে না দেখলে এর ধ্বংসাত্মক রূপ সম্পর্কে ধারনা পাওয়া কঠিন।
গত কিছুদিন ধরে করোনার সংক্রমণ আবারো বেড়েছে। তার-ই নিরিখে মানুষকে সচেতন করার উদ্দেশ্যই নিজের পরিবারে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলো শেয়ার করা। চাইলে পড়তে পারেন।
জীবনের সবচেয়ে খারাপ সময়টা পার করেছি। তবুও আলহামদুলিল্লাহ। সময়টা হয়তো এর চেয়েও খারাপ হতে পারতো। ০৯ই মার্চ সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে যখন বাবার শরীরে হালকা জ্বর দেখি, তখনই রাতে মিডফোর্ড থেকে পালস-অক্সিমিটার নিয়ে আসি। বাবা আবার শরীর খারাপ লাগলেও বলতো না কখনো। অনেক সময়েই ডাক্তারের কাছে জোর করে নিয়ে যেতাম মেডিকেল চেক আপ করাতে। রাত সাড়ে দশটার টার দিকে যখন অক্সিমিটার নিয়ে বাসায় আসি, তখন সবার অক্সিজেন ৯৭ এর উপরে থাকলেও বাবার অক্সিজেন লেভেল ৮৭/৮৮ এর মতো। ফুপাতো ভাই ডাক্তার হওয়ায় তখনই তাকে পরামর্শের জন্য ফোন দিলাম। ভাইয়া বললো, অক্সিজেন দিতে হবে, সম্ভব হলে এখনই যাও না হলে সকাল সকাল হসপিটাল নিয়ে যেও। ঐদিন বাবা আর হসপিটাল যেতে না করে নাই। একবার বলাতেই রাজি হয়ে যায়। রাতেই বাসার পাশের স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে নিয়ে যাই। বাবা তখনও অনেকটাই স্বাভাবিক। রিক্সা নিয়েই কথা বলতে বলতে চলে যাই। ডিউটি ডাক্তর দেখে বললো উনি তে সুস্থ। বাসায় নিয়ে যান আর কিছু ঔষধ লিখে দেই, এগুলো খাওয়ান। মনে হলো ডাক্তারের অক্সিমিটারটা ঠিকভাবে কাজ করছে না। ওনাকে বললাম বিষয়টা। উনিও পরে দেখলো আমাদের অক্সিমিটারে অক্সিজেন রেজাল্ট কম কিন্তু ওনারটায় বেশি। রাত তখন একটার মত। পরে ডাক্তার বললো আপনাদের কনফিউশন থাকলে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। এতো রাতে অন্য হসপিটালের চেয়ে ঢামেক ই ভালো হবে। ঢাকা মেডিকেলের অক্সিমিটারের রেজাল্টও আমাদের অক্সিমিটারের রেজাল্ট একই আসে। ওনারা তখনই ভর্তির পরামর্শ দেয়। তখন অক্সিজেন লেভেল ৮৭। দশ তারিখ রাত দুইটার দিকে ভর্তি করা হলো। অক্সিজেনে দেওয়ার পর, বাবা পুরোপুরি সুস্থ। ভোরবেলা সব আত্মীয় স্বজন এসে হাজির। দশ তারিখ থেকে তেরো তারিখ বাবার পরিস্থিতি অনেকটাই স্থিতিশীল। অক্সিজেন লাগানো থাকলেই সবকিছু ঠিকঠাক। এর মধ্যে অবশ্য প্রাইভেট হসপিটালে মুভ করার প্লান করলেও বাবার ইচ্ছায়, ডাক্তারের পরামর্শে আর ঢামেকের সেন্টাল অক্সিজেন সিস্টেমের সুবিধার কথা চিন্তা করে তখন আর যাওয়া হয়নি। তেরো তারিখে কভিড পজেটিভ আসে বাবা-মা দুইজনেরই। রীতিমতো কভিড ইউনিটের বেডে চলে যাই। তের তারিখ রাতে বাবা কিছুটা অসুস্থ অনুভব করলেও চোদ্দ তারিখ সকালে আবার স্বাভাবিক। এই পর্যন্ত একবারেও মনে হয়নি বাবাকে চিরদিনের জন্য হারিয়ে ফেলব। ১১টার দিকে হঠাৎ বাবা অসুস্থ অনুভব করে অজ্ঞান হয়ে গেলেন, ডাক্তার দ্রুত আইসিইউতে নেওয়ার জন্য বলে। কিন্তুু তখন ঢামেকে ১৪ করোনা আইসিইউ বেডের একটাও খালি নেই। ৫৫ নম্বর সিরিয়ালে আইসিইউ কল দেওয়া হলো। কিন্তু আল্লাহর রহমতে তখন আইসিইউতে ব্যাবহৃত হাইফ্লো নজেল ক্যানেলা ওয়ার্ডেই ব্যাবস্থা হয়। তখন বেডেই ৭৫লিটার অক্সিজেন পাচ্ছিলেন। একেতো ঢামেকের আইসিইউ পাওয়া যাচ্ছেনা, অন্য দিকে এম্বুলেন্সে করে অন্য প্রাইভেট হসপিটালে নিবো তাও সম্ভব হচ্ছে না। কারন এম্বুলেন্স মাত্র ১৫লিটার অক্সিজেন দিতে পারবে। ৭৫ লিটার থেকে কমিয়ে ১৫ লিটার অক্সিজেন দিলে তখনই একটা বিপদ হতে পারতো। আল্লাহর রহমতে অবশেষে ডাক্তার সহ আইসিইউ এম্বুলেন্সের ব্যাবস্থা হয়। সন্ধ্যার দিকে ধানমন্ডির সোস্যাল ইসলামি ব্যাংক হসপিটালের আইসিইউতে নিয়ে যাই। আইসিইউতে কর্তব্যরত ডাক্তারের কথাটা ছিলো এমন- আমরা আইসিইউ এর রোগীদের সবসময় ভালো খবর দেওয়ার চেষ্টা করি, কিন্তু রোগীর যা অবস্থা এ মূহুর্তে কোন ধরনের ভালো খবর দিতে পারছি না। আইসিইউতে ডাক্তাররা সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছে কিন্তু শরীর সাপোর্ট না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত ১৫ই মার্চ বিকেল তিনটার দিকে আল্লাহ উনার কাছেই বাবাকে নিয়ে গেলেন।
১৪ তারিখ ছাড়া অন্য দিন গুলোতে বাবা মোটামুটি স্বাভাবিকই ছিলো। একদিনের মধ্যে করোনা যে মানুষে এভাবে নিয়ে যেতে পারে, বাস্তবে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন
পরিবার নিয়ে সবসময়ই খুব খুশি ছিলাম। আর বাবা ছিলো আমার জীবনের সবচেয়ে বড় বন্ধু। করোনা সনাক্ত হবার পরেও বাবার সাথে তিন-চার জন সবসময় হসপিটালেই ছিলাম। সবসময়ই একটা আতঙ্ক থাকত, এই বুঝি ঘুমের মধ্যে অক্সিজেন মাস্কটা খুলে যায়, এই বুঝি কিছু একটা প্রয়োজন হয়। . আম্মা, স্ত্রী সবাই এখন সুস্থ। সবসময় হাসিখুশি বাবাকে ছাড়া বাসার মধ্যে একটা শূন্যতা কাজ করে সবসময়। লিখতে গিয়েও চোখ মুছতে হয়েছে অনেকবার। প্রত্যাশা একটাই, আমরা যাতে আরো একটু সচেতন হই। আর কারো বাবা-মাকে যেন না হারাতে হয়। . করোনা যাতে না হয় সেই চেষ্টাই আমাদের সবসময় করতে হবে। কিন্তু কোন কারনে আক্রান্ত হয়ে গেলে যে কাজগুলো করতে পারেনঃ
পালস-অক্সিমিটারে একটু পর পর অক্সিজেন চেক করে দেখতে হবে। ৯৩/৯৪ এর নিচে নামলেই অক্সিজেন দিতে হবে। কাত হয়ে বা উবুর হয়ে ঘুমালে অক্সিজেন বাড়ে। এই প্রাকটিসটা করতে পারেন। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। যদিও কভিড রোগীদের কিছু এন্টিবায়োটিক দেওয়ার কারনে এটা নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে।
সবকিছু আগের মতো স্বাভাবিক হোক,,,,,,
সাবেক সভাপতি
বরিশাল ডিভিশনাল স্টুডেন্টস্ অ্যাসোটিয়েশন
সাবেক সাধারণ সম্পাদক
সিইউডিএস
জুন ১২, ২০২১
সম্পাদক
সংবাদ
মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. এমরান কবির চৌধুরী স্যারের নির্দেশক্রমে আগামী ১৩ই জুন,২০২১ইং তারিখ থেকে শুধুমাত্র স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পরীক্ষার্থীদের জন্য চার(০৪টি) নীল বাস নির্ধারিত পরীক্ষার দিন যাতায়াত করবে। বাসসমূহ নিম্নোক্ত রুট ও সময়সূচি অনুযায়ী যাতায়াত করবে ঃ-
**সকাল ৮.৪৫ কান্দিরপাড় টু ক্যাম্পাস (ভায়া পুলিশ লাইন) (০২টি)।
**সকাল ৮.৪৫ কান্দিরপাড় টু ক্যাম্পাস (ভায়া টমছম ব্রীজ ) (০২টি)।
**দুপুর ১২.৩০ কান্দিরপাড় টু ক্যাম্পাস (ভায়া পুলিশ লাইন) (০২টি)।
**দুপুর ১২.৩০ কান্দিরপাড় টু ক্যাম্পাস (ভায়া টমছম ব্রীজ ) (০২টি)।
**দুপুর ২.০০ ক্যাম্পাস টু কান্দিরপাড় ( ভায়া পুলিশ লাইন) (০২টি)।
**দুপুর ২.০০ ক্যাম্পাস টু কান্দিরপাড় ( ভায়া টমছম ব্রীজ) (০২টি)
**বিকাল ৫.১৫ ক্যাম্পাস টু কান্দিরপাড় ( ভায়া পুলিশ লাইন) (০২টি)।
**বিকাল ৫.১৫ ক্যাম্পাস টু কান্দিরপাড় (ভায়া টমছম ব্রীজ ) (০২টি)।
বি.দ্র. শিক্ষার্থীদের বাসে পরীক্ষার্থী ছাড়া অন্য কেউ অপ্রয়োজনে যাতায়াত না করার অনুরোধ করা হলো।
ধন্যবাদ।
১৩-০৬-২০২১ তারিখ থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস শিডিওল
মে ২৫, ২০২১
সম্পাদক
সংবাদ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচিত মুখ, তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী মূকাভিনয় শিল্পী হাফিজুর রহমান এর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্তের দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্রকল্যাণ পরিষদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে মানববন্ধন আয়োজন করা হয় । মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।
বঙ্গবন্ধু ভাষ্কর্যের পাদ-দেশে বেলা ২টায় এই মানববন্ধনে হাফিজুর রহমানের রহস্য জনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও জড়িত সকলের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
জুলাই ১২, ২০২০
সম্পাদক
শোক বার্তা
"চট্রগ্রাম স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়" এর সহ সভাপতি অপু কুমার সাহা এর পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে সম্মিলিত আঞ্চলিক জোট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।সেই সাথে শোকসন্তপ্ত পরিবার যেনো এ শোক দ্রুত কাটিয়ে উঠতে পারে সেই কামনা করে।
উল্লেখ্য অপু কুমার সাহা এর পিতা জনাব মানু লাল সাহা গত ৯/০৭/২০২০ তারিখ মৃত্যু বরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ ছিলেন।
জুন ২১, ২০২০
সম্পাদক
আর্টিকেল
তানভীর আহমেদ রাসেল
কয়েকটা সকাল দেশের মিডিয়া পাড়া করোনা মুক্তির সংবাদে সয়লাব হবে। তা শুনে, আরেক সকালে মা নিশ্চিন্তায় কপালে চুমো দিয়ে আবার চিরচেনা ব্যস্ত নগরীরতে যাত্রার জন্য বিদায় জানাবে। শহরের বাসায় পৌঁছতে না পৌঁছতেই আমার ক্লাস রিপ্রেজেনটেটিভ বন্ধু সোহান গ্রুপে পোস্ট দিয়ে জানিয়ে দিবে, আলহামদুলিল্লাহ! আগামিকাল থেকে রুটিন অনুযায়ী সকল ক্লাস শুরু হবে।
পরদিন সকালে সবাই ৮ টার বাসে করে ভার্সিটির উদ্যশ্যে যাত্রা করবে। ভার্সিটি পা রাখা মাত্রই প্রাণের বিদ্যাপীঠের প্রতিটি ধূলিকণা খল খল করে আসতে থাকবে। আমাদের উচ্ছ্বাসে আরো বেশি উচ্ছ্বাসিত হয়ে রং ছড়াবে ৫০ একরের প্রতিটি আঙ্গিনা। অনেক দিন পর সহপাঠী, সিনিয়র - জুনিয়র প্রিয় মুখগুলোকে একসাথে দেখতে পেরে উচ্ছ্বাস আর উদ্দীপনায় একে অপরকে আলিঙ্গন করে নিবে।নিজের গহীনে জমে থাকা ভাব বাক্যগুলো প্রাণ খুলে শেয়ার করবে। ডিপার্টমেন্টের কঠোর ম্যাডামটিরও আজ ক্লাসে প্রবেশ করা মাত্রই আমাদের কাছে পেয়ে খুশিতে দুচোখ দিয়ে ঝরঝর করে অশ্রু গড়িয়ে পড়বে।অবাক নয়নে তা দেখে আমরাও আর স্থির থাকতে পারবোনা।
ক্লাস থেকে বের হওয়া মাত্রই প্রেস ক্লাবের সভাপতি কিশোর ভাই জরুরি মিটিং ডাক দিবেন। বের হয়েই দেখব ক্যাম্পাসের প্রতিটি চত্তর আঞ্চলিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গুলোর সদস্যদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠবে। বাদ রইবেনা নবী মামার চা দোকান কিংবা ক্যাম্পাসের সামনে ফটোকপি দোকানে শিক্ষার্থীদের চিরচেনা ভীড়। মিটিং শেষ হতে না হতেই টিউশন থেকে প্রিয় শিক্ষার্থী তানহা, জেবা, দীপ্রোর ফোন এক এক করে আসতে থাকবে। তাদের উৎকন্ঠিত মুখগুলো দেখে অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করবে।
সারাদিনের এমন ব্যস্ততম দিন শেষে আসবে আরেকটি সকাল এরপর আরেকটি। আর এভাবেই কাটতে থাকবে আমাদের করোনার পূর্বের সেই মুহূর্তগুলো। অপেক্ষায় আছি আমি সেই দিনের.....
তানভীর আহমেদ রাসেল
শিক্ষার্থী, ফার্মেসী বিভাগ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
মোবাইল- ০১৯৩৩০৭২৩২৫
জুন ১৮, ২০২০
সম্পাদক
সংবাদ
কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ নাঙ্গলকোট (কুসান) এর সহ সভাপতি,
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাইমিনুল ইসলাম করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। ইতিমধ্যে তাঁর বাবা এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মোহাইমিন এখন সুস্থ আছেন। তার মাঝে করোনাভাইরাসের কোনো উপসর্গ এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি। আক্রান্ত সদস্যের পাশে এগিয়ে এসেছে কুসান পরিবার । নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষার পাশাপাশি আন্তরিক সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন সংগঠনের সদস্যরা। গত ১৬ জুন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ রাসেল তাঁর খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি করোনায় উপকারী ফলফলাদি পৌঁছে দেন।
উল্লেখ্য গত ২ জুন মোহাইমিন নমুনা প্রদান করলে ১০ জুন তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে।
করোনা ঝুঁকি বাড়ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। কুবিয়ানদের বিনা কারণে ক্যাম্পাসে না আসার অনুরোধ
জুন ১৭, ২০২০
সম্পাদক
আর্টিকেল
আর্টিকেল-
করোনা পরিস্থিতির জন্য কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম এবং আবাসিক হল বন্ধ হয় ২০২০ সালের ১৮ মার্চ।
গত ৩ মাস যাবত ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার ফলে প্রায় সকল ছাত্র-ছাত্রী তাদের পরিবারের সাথে বসবাস করছেন। অনেকদিন যাবত বাসায় বন্ধী থাকার পর লকডাউন শিথিলের ফলে অনেকেই ক্যাম্পাসে আসা শুরু করেছেন। ফলে ক্যাম্পাসে প্রায় ৬৪ জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের পদচারণা শুরু হয়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে ছাত্র-ছাত্রী আসার ফলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এখন চরম করোনা ঝুঁকিতে আছে। অন্যদিকে কুমিল্লা জেলা বর্তমানে করোনা আক্রান্তের দিক দিয়ে দেশের অন্যতম শীর্ষ জেলা। এছাড়া কোটবাড়ি এবং খানবাড়ি এলাকায় কভিড-১৯ রোগী সনাক্ত হয়েছে।
অনেকেই বাসা থেকে আসার সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাভিলিং পোস্ট দিচ্ছেন এবং ক্যাম্পাসে এসে ছবি তুলে তা পোস্ট করছেন। ফলে যারা এখনো বাসায় আছেন, তাদের ভিতরও ক্যাম্পাসে আসার প্রবণতা শুরু হয়েছে।
ক্যাম্পাস হয়ত আরো কয়েকমাস বন্ধ থাকবে এবং যারা টিউশনি করেন তাদের টিউশনি করানোর সুযোগও সীমিত (অভিভাবকরাও এখন সন্তানদের জন্য শিক্ষক রাখতে আগ্রহী নন)। এজন্য সকল কুবিয়ানদের প্রতি অনুরোধ থাকবে- সবাই পরিবারকে সময়দিন। ঝুঁকি নিয়ে ক্যাম্পাসে আসবেন না। একজন সুনাগরিক হিসেবে আমাদের সবার দায়িত্ব সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলা, প্রয়োজন ছাড়া বাসার বাহিরে বের না হওয়া এবং সরকারের সকল বিধিনিষেধ মেনে চলা।
সবাই কিছুদিন ধৈর্য্য সহকারে অপেক্ষা করুন। আবার আমাদের দেখা হবে প্রিয় লালমাটির ক্যাম্পাসে। বাবুই চত্তর, শহিদ মিনার, মুক্তমঞ্চ, কাঁঠাল তলা, ভিসির টং সবকিছু আরো বেশি অপরুপ সৌন্দর্যে আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে।
সবাই বাসায় থাকুন
সুস্থ থাকুন
নিরাপদে থাকুন
লেখক
এইচ. এম. মেহেদী হাসান
আহ্বায়ক
সম্মিলিত আঞ্চলিক জোট, কুবি
এবং
সভাপতি
বরিশাল ডিভিশনাল স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন, কুবি
জুন ১৫, ২০২০
সম্পাদক
শোক বার্তা
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) সাবেক মেয়র বদরউদ্দিন আহমদ কামরান-এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত সিলেট বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংগঠন "জালালাবাদ এসোসিয়েশন"। সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক বার্তা প্রকাশ করেন সংগঠনটির সভাপতি প্রিন্স চন্দ্র তালুকদার।
শোকবার্তায় প্রিন্স জানান- "সিসিকের প্রথম মেয়র
বদরউদ্দিন আহমদ কামরান আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হলেও সিলেট বাসীর জন্য তিনি ছিলেন দল,মত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের নেতা।" তিনি তার সে বার্তায় নেতার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, তিনি ১৫ জুন রাত ২ টা ৪০ মিনিটে ঢাকার সিএমএইচ এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
জুন ১৩, ২০২০
সম্পাদক
আর্টিকেল
নিওজ ডেস্ক-
করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৬-ই মার্চ থেকে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে।এর ন্যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধও অব্যাহত আছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত আঞ্চলিক জোটের যুগ্ম আহবায়ক-০১ এবং কুবিতে অধ্যয়নরত সিলেট বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভ্রাতৃত্ববোধের সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রিন্স চন্দ্র তালুকদার এই মহামারীর সময়ে সকল কুবিয়ানদের সুস্বাস্থ্য কামনা করছেন ।এই করোনাকালীন সময়ে কুবিয়ান(দ্বিতীয় পরিবারের) প্রতিটি সদস্য সুস্থ থাকুক এবং ইতিমধ্যে যারা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন তারা দ্রুত আরোগ্যলাভ করুক সেটাই সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা করছেন।
সকলের প্রতি তার অনুরোধ বার্তা- "করোনা নামক অদৃশ্য মহামারীর কারনে পুরোবিশ্ব থমকে গেছে কিন্তু জীবন থেমে নেই। দিনকে দিন সময় চলে যাচ্ছে,বয়স বাড়ছে। একদিন আরো বয়স হবে,এক সময় হাতের মত মুখের উপরও নানান রেখার কাটাকুটি খেলা চলবে।৷তারপরও জীবন চলবে জীবনের গতিতে এই দ্রুত-মন্থর গতির মাঝেই জীবন কে উপভোগ করে যেতে হবে।।যদি জীবনকে ভবিষ্যতের দিকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নিতে চান তবে বর্তমান কে উপভোগ করতে হবে শুধু ঘরে অবস্থান করেই , হ্যাঁ ঘরে বসেই।
করোনার একটাই দূর্বলতা সে মাধ্যম ছাড়া চলতে পারে না, তাই মাথায় রাখবেন এই মাধ্যম টি যেন আপনি না হন। তাই নিজ জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সচেতন থেকে নিজে সুস্থ থাকুন,পরিবার-পরিজন তথা সমাজের সবাইকে সুস্থ রাখুন।
দোয়া করুন যেন দ্রুতই মহামারী দূর হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠে।"
জুন ০৩, ২০২০
সম্পাদক
নোটিশ
তথ্য প্রযুক্তির যুগে দেশের যে কোন যায়গা থেকে যেন কুবি'র সব গুলো আঞ্চলিক সংগঠনকে খুব সহজে এক সাথে পাওয়া যায় ও যোগাযোগ করা যায় সে কথা মাথায় রেখে ''সম্মিলিত আঞ্চলিক জোট কুবি" নতুন একতি ব্লগ সাইট ওপেন করেছে।
সাইটটিতে জোটের আওতাভুক্ত সকল সংগঠনের নাম সংযুক্ত করা হয়েছে যা ইতোমধ্যে sajcou.blogspot.com এ বা পাশে মেনু বাড়ে দৃশ্যমান। সেই মেনুতেই প্রতিটি সদস্য সংগঠনের স্বতন্ত্র একটি পেইজ লিংক করা হচ্ছে যেখানে সকল সংগঠনের একটি পূর্নাঙ্গ বিবরণ দেয়া থাকবে।
মেনু বারের উপরের অংশে Facebook links নামক বারে সদস্য সংগঠন গুলোর নিজ নিজ ফেসবুক পেইজ লিংক এড দেয়া থাকবে সেখান থেকে খুব সহজেই যে কেও পেইজ ব্রাওজ করতে পারবে। (যা বিভাগ জেলা বা উপজেলার নাম দিয়ে লিংক করা হচ্ছে)
সদস্য সংগঠনের বা সাজ এর যে কোন এক্টিভিটিও নিওজ আকারে পোস্ট করা হবে এই সাইটে
ডাটা প্রকৃয়ার জন্য সদস্য সংগঠন গুলাওকে যেসকল ডাটা দিয়ে সহায়তা করতে হবে-
১)অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ লিংক এবং জেলা, উপজেলা বা বিভাগের ইংরেজী স্পেলিং দিতে হবে।
২) সংগঠনের একটি পূর্ণাং বর্ণনা দিতে হবে যাতে নিচের তথ্য গুলো প্রাধান্য পাবে
*সংগঠনের নাম
*লগো এবং অন্য যে কোন এটিভিটির ছবি (সর্বোচ্চ ছবি সংখ্যা ৩)
*সংগঠনে প্রতিষ্ঠা ইতিহাস
*সাংগঠনিক বর্ণনা
*পূর্ববর্তী কমিটি সমূহ (সভাপতি - সাধারণ সম্পাদক গণের নাম ও কার্য সাল)
*বর্তমান কমিটি।
*সংগঠনের সাথে যোগাযোগ করার উপায়
উপরের তথ্য গুলো আর্টিকেল আকারে সাজিয়ে দিতে হবে। সর্বপরি সদস্য সংগঠন যে কোন তথ্যই এখানে যুক্ত করতে পারেন। তবে কোন তথ্য বা ছবি শেয়ার অযোগ্য বলে মনে হলে তা শেয়ার করা হবেনা।অন্যথায় কোন ধরা বাধা নিয়ম ছাড়াই গোছানো তথ্য শেয়ার করা যাবে।
যে কোন প্রয়োজনে সদস্য সচিবের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য বলা হল
এ.জে.রাব্বি
সদস্য সচিব
সম্মিলিত আঞ্চলিক জোট,কুবি
মোবাইল 01687679093
জুন ০২, ২০২০
সম্পাদক
শোক বার্তা
দেবিদ্বার ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদকের মৃত্যুতে আঞ্চলিক জোট কুবি'র শোক প্রকাশ
আঞ্চলিক সংগঠন দেবিদ্দ্বার ছাত্রকল্যাণ পরিষদ (কুবি'র) সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাওয়ার্দী ভূইঁয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আজ সকাল ৯:৩০ ঘটিকার দিকে মারা গেছেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
আজ সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোলাপনগর গ্রামের নিজ বাড়িতে মেইন সুইচ অন রেখেই বাড়িতে বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাঁর মৃত্যুতে আঞ্চলিক জোট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করে সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক রাসেল মাহমুদ বলেন "আমরা আঞ্চলিক জোট পরিবার তার মৃত্যুতে শোকাহত। আল্লাহ যেন মরহুমের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের এই শোক কাটিয়ে উঠার তাওফিক দান করেন।"
দেবিদ্বার ছাত্রকল্যাণ পরিষদ কুবি'র সভাপতি সাব্বির চৌধুরী বলেন "সোহরাওয়ার্দী ভূইঁয়ার মৃত্যু আমাদের দেবিদ্বার ছাত্রকল্যাণ পরিষদ কুবি'র জন্য শোকাবহ সংবাদ।আল্লাহ মরহুমকে জান্নাত নসিব করুক।"
আঞ্চলিক সংগঠন দেবিদ্দ্বার ছাত্রকল্যাণ পরিষদ (কুবি'র) সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাওয়ার্দী ভূইঁয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আজ সকাল ৯:৩০ ঘটিকার দিকে মারা গেছেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের ১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
আজ সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের গোলাপনগর গ্রামের নিজ বাড়িতে মেইন সুইচ অন রেখেই বাড়িতে বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়, সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাঁর মৃত্যুতে আঞ্চলিক জোট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করে সংগঠনের যুগ্ম আহবায়ক রাসেল মাহমুদ বলেন "আমরা আঞ্চলিক জোট পরিবার তার মৃত্যুতে শোকাহত। আল্লাহ যেন মরহুমের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের এই শোক কাটিয়ে উঠার তাওফিক দান করেন।"
দেবিদ্বার ছাত্রকল্যাণ পরিষদ কুবি'র সভাপতি সাব্বির চৌধুরী বলেন "সোহরাওয়ার্দী ভূইঁয়ার মৃত্যু আমাদের দেবিদ্বার ছাত্রকল্যাণ পরিষদ কুবি'র জন্য শোকাবহ সংবাদ।আল্লাহ মরহুমকে জান্নাত নসিব করুক।"
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)


























